মাস্ক পরার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নতুন নির্দেশনা

230

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আরো বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে মাস্ক পড়ার জন্য জেলা প্রশাসক টিএনও এর নিকট সরকারের পক্ষ থেকে চিঠি। গতকাল শনিবার (১৩ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রতি করোনা সংক্রমণের হার এবং মৃত্যুর হার গত কয়েক মাসের তুলনায় অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। সংক্রমণের হার রোধের জন্য সর্বক্ষেত্রে সকলের মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করা প্রয়োজন তাই এমতাবস্থায় সবার মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টি মনিটরিং করতে বিভাগীয় কমিশনার । ডিসি ও ইউএনওদের অনুরোধ জানানো হচ্ছে। অন্যদিকে, চলতি সপ্তাহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হঠাৎ বৃদ্ধি হচ্ছে।

এতে আবারো আতঙ্ক তৈরি হয়েছে মানুষের মধ্যে এই বিভ্রান্তি কাটাতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তে নমুনা পরীক্ষা নতুন রোগী শনাক্ত, মৃত্যু এবং সুস্থতা সবই বেড়ে গিয়েছে। গতকাল শনিবার (১৩ মার্চ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ২১৯টি ল্যাবে ১৬ হাজার ২০৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ১৪ জনের, এ সময়ে মারা গেছেন ১২ জন। তাদের মধ্যে ৯ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী রয়েছেন। নতুন করে ১২ জনের মৃত্যুতে এ নিয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ৫২৭ জন, মোট শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা পাঁচ লাখ ৫৬ হাজার ২৩৬ জন উপরে।


এর আগে গত সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী সেখানে তিন নির্দেশনা দিয়েছিলেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ভ্যাকসিন নেই বা না নেই আমরা যেন অবশ্যই তিনটি জিনিস মেনে চলি তা না হলে আমাদের ভয়াবহ বিপদ আসতে পারে।

‘আমরা যেন অবশ্যই বাইরে মাস্ক ব্যবহার করতে থাকি। যথাসম্ভব যাতে আমরা সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। আর তিন নম্বর হলো পাবলিক গ্যাদারিং যেখানে হচ্ছে বিশেষ করে কক্সবাজার বা হিল ট্র্যাকসে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় স্থান যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে যে সকল স্থানে গেদারিং হচ্ছে, সেই সকল স্থানে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে, সেখানে যেন একটা লিমিটেড সংখ্যায় বজায় রাখি আমরা নিজেদের যেন একটা দায়িত্ববোধ থাকে, যেখানে বেশি সংখ্যক লোক আছে সেখানে জনসমাগম থেকে বিরত থাকি। যারা যাবেন তারা যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দ্রুত কাজগুলো সম্পন্ন করে ফিরে আসে এবং আসার পরে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।