ভারত থেকে আসবে ৫০ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল

220
নিউজ অব ঢাকা

২০২০ ও ২০২১ অর্থবছরেআন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ১৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ সরকার। ভারতের মেসার্স পি কে এগ্রি লিংক প্রাইভেট লিমিটেড এর দরপত্রে সর্বনিম্ন দরপত্র দেওয়ায় তাদের চাল সরবরাহের অনুমতি দিয়েছে ভারত।

বুধবার ২৪ মার্চ, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে এক ভার্চ্যুয়াল বৈঠক এ ক্রয় প্রস্তাবগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ বৈঠকে সদস্যবৃন্দ ও নেতৃবৃন্দসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে অনুমোদিত ক্রয় প্রস্তাবের বিভিন্ন দিক উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. শাহিদা আক্তার।

এ সময় অর্থমন্ত্রী বলেছেন, অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদনের জন্য ২টি এবং ক্রয় কমিটির অনুমোদনের জন্য ৬টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে। ক্রয় কমিটির প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ৩টি। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ১টি, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ১টি এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের ১টি প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। ক্রয় কমিটির অনুমোদিত ৬টি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ ১,৪৯৩ কোটি ৪৯ লাখ ৪৫ হাজার ৭৭৩ টাকা মাত্র।

মোট অর্থায়নের মধ্যে জিওবি থেকে ব্যয় হবে ৯৫৮ কোটি ৯৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯১৬ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য (এডিবি এএফডি ও ইআইবি ঋণ) ৫৩৪ কোটি ৫৪ লাখ ৫ হাজার ৮৫৭ টাকা মাত্র। খাদ্য অধিদপ্তরের ২১ মার্চের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে মজুদ চালের পরিমাণ ৪ দশমিক ৭৮ লাখ মেট্রিক টন। আর গম ০ দশমিক ৭৯ লাখ মেট্রিক টন। সরকারি বিতরণ ব্যবস্থা সচল রাখাসহ নিরাপত্তা মজুত প্রশস্ত করতে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল কেনা জরুরি।

আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে ২ দশমিক ৫০ লাখ মেট্রিক টন এবং জি টু জি ভিত্তিতে ৩ দশমিক ৫০ লাখ মেট্রিক টন চাল কেনার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া জি টু জি ভিত্তিতে আরো ৩ দশমিক ৫০ লাখ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১ দশমিক ৯০ লাখ মেট্রিক টন চাল কেনা হয়ে গিয়েছে।