বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক শক্তিশালী করতে চান মাহিন্দ্রা রাজাপাকসে

157

বাংলাদেশের সাথে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করার ব্যাপারে শুক্রবার আসা প্রকাশ করেছেন সফররত শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে। ঢাকায় আসার পর এক টুইটে তিনি জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাথে একত্রে কাজ করতে চান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে অংশ নেয়া বিশ্বনেতাদের মধ্যে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আমন্ত্রিত দ্বিতীয় নাম্বার অতিথি।

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে সম্মানিত এবং পরের দুই দিনের উৎসব এবং আলোচনার প্রত্যাশায় রয়েছি এবং মঙ্গল কামনা করছি।’

বিকালে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী।

সন্ধ্যায় তিনি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের গ্র্যান্ড বল রুমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ভোজ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন।

শনিবার শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকসে প্রধানমন্ত্রীর সাথে আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শেষে উভয় দেশের মধ্যে কয়েকটি সমঝোতা স্মারক সই হবে বলে জানা গিয়েছে। উভয় নেতা স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবে। বিকালে তিনি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সাথে ও এক বৈঠক করবেন।

এর আগে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রাজপাকসে, তার স্ত্রী এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিয়ে শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি বিমানটি সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। সেখানে তাকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট মাহিন্দ্রা রাজপাট সে বাংলাদেশের অবতরণ করলে তাকে নিয়ে অভ্যর্থনা মঞ্চে উপস্থিত হন সে সময় তিন বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল সম্মান প্রদান করেন।

বিমানবন্দর থেকে অতিথি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জাতীয় স্মৃতিসৌধে চলে যান।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশের দশ (১০) দিনব্যাপী আয়োজনের সূচনা হয়েছে গত ১৭ মার্চ জাতির জনকের জন্মদিনে।

এই অনুষ্ঠানে পাঁচ দেশের প্রেসিডেন্ট অংশগ্রহণ করবেন তারমধ্যে শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট আজ দ্বিতীয় নাম্বার।

মাহিন্দা রাজপাকসের সফর শেষে নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী ২২ মার্চ বাংলাদেশে আসবেন, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং ২৪ মার্চ আসবেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে ঢাকায় আসবেন।