নিউজ অব ঢাকা
newsofdhaka24.com

সীমিত সময়ে বেশি কাজ করার জন্য গুরুত্ব দিয়ে কাজগুলো সাজিয়ে নিলে কাজগুলো সহজ হবে। এটা আমাদের সবারই জানা কিন্তু কাজের চাপে করা সম্ভব হয় না। কিন্তু কীভাবে সাজিয়ে নেবেন প্রতিদিনের কাজ তা জেনে নিন। অফিসে পৌঁছানোর পরে টানা তিন ঘণ্টা তামান্নার হুশ থাকে না।

টেবিলে ফাইলের পাহাড়, মেইল বক্সের মেইল পড়া সহ নানা কাজের চাপ, মাঝে মাঝে বসের তলব তো আছেই। সব মিলিয়ে একেবারে নাজেহাল দশা বেচারার। হাতে থাকা কাজগুলো সামলে উঠতে না উঠতে টেবিলে আসতে শুরু করে নতুন নতুন আরো কাজ। সহকর্মীরা তাড়া দিতে শুরু করে। কিছুতেই ও সময়ের মধ্যে সব কাজ শেষ করা সম্ভব হয় না। অনেক সময় অফিস শেষ করতে রাত হয়ে যায়।

কিন্তু ও বুঝে উঠতে পারে না, ওর বেলা কেন এমন হয়। অন্য সবাই তো ঠিক সময়মতো কাজ শেষ করতে পারে। আসলে তামান্নার ভুলটা কাজ সাজিয়ে নিতে। ও আসলে কাজগুলো ঠিকঠাক গুছিয়ে করতে পারে না। তাই আগে প্রয়োজন অনুযায়ী কাজগুলো সাজাতে হবে নিন তাহলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যাবে। এ জন্য কি করবেন তা জেনে নিন।

কি করবেন : অফিসে পৌঁছেই কাজে ঝাঁপিয়ে পড়বেন না, প্রথমে কাজের তালিকা করুন। অর্থাৎ গুরুত্ব অনুযায়ী কাজগুলো সাজিয়ে নিন কোন কাজটা আগে করা প্রয়োজন এবং কোন কাজটা পরে করা প্রয়োজন সেটি সিলেক্ট করুন। কাজটা করতে কেমন সময় লাগবে, তাও লিখে নিন। যাতে করে অযথা সময় নষ্ট না হয়। প্রয়োজনীয় এবং জরুরি এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য করতে পারাটা তালিকা সাজানোর প্রধান শর্ত। প্রয়োজনীয় কাজ অবশ্যই করতে হবে। কিন্তু জরুরি কাজের গুরুত্ব বেশি দিতে হবে।

একসঙ্গে অনেক কাজ না করে, অল্প সংখ্যাক কাজ ভালো করে করার লক্ষ স্থির করুন। কোয়ান্টিটির চেয়ে কোয়ালিটিকে সব সময় বেশি গুরুত্ব দিবেন। যেটুকু কাজ করবেন, সেটুকু যাতে নির্ভুল হয় সে ব্যাপারে যত্নবান থাকার চেষ্টা করবেন। নিজের দায়িত্বে ব্যাপারে পরনির্ভরশীল থেকে বিরত থাকুন। আপনার কাজের খুঁটিনাটি তথ্য জেনে নিন তাহলে নিজের ক্ষমতায় অনেক কিছু করতে পারবেন। নিজের কাজ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখার চেষ্টা করুন। অ্যাসাইনমেন্ট পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেটাকে গুরুত্বপূর্ণ কাজের তালিকায় যোগ করে ফেলুন। সব কাজ আপনার পক্ষে একা করা সম্ভব নয়।

এ সরল সত্যকে মেনে নিন। সীমিত সময়ে বেশি কাজ করতে গিয়ে শুধু কাজের কোয়ালিটি নষ্ট করা ঠিক নয়। তাই কাজের চাপ বেশি হয়ে গেলে মাঝে মধ্যে ‘না’ বলতে শিখুন, তবে এ বিষয়টি আপনার বসকে বিনয়ের সাথে বুঝিয়ে বলুন।