গ্যাস্ট্রিক সমস্যা নির্মূলে ঘরোয়া পদ্ধতি

240

গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি সমস্যা। এ যেন এক ভয়াবহ বিপদের নাম। এ গ্যাস্ট্রিক যেন এখন সবার ঘরে ঘরেই। মূলত খাবারের বদহজমে গ্যাস্ট্রিক হয়। ফলে বমি ভাব, ডায়রিয়া ও পেটে ব্যথা হতে দেখা দিতে পারে নানান প্রকারের সমস্যা।

কীভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে গ্যাস্ট্রিক নির্মূল করা যায়,
নিম্নে আলোচনা করা হলো:

দারুচিনির : দারুচিনি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানে বিশেষভাবে কার্যকরী একটি জিনিস। দারুচিনি অ্যাসিডিটি পেট ব্যথা এবং পেটের গ্যাসের সমস্যা সমাধান করে খুব দ্রুত।

কফি, ওটমিল কিংবা গরম দুধে দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন, খুব দ্রুত ফলাফল পাওয়া যাবে। তবে যদি দুধে সমস্যা থাকে তাহলে দুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

এ ছাড়া পানিতে দারুচিনির গুঁড়ো ফুটিয়ে ছেঁকে মধু মিশিয়ে চায়ের মতো পান করলে দ্রুত উপকার পাবেন।

বেকিং সোডার ব্যবহার: বেকিং সোডার অ্যাসিডিক উপাদান পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে, গ্যাস দূর করে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধানে কাজ দ্রুত কাজ করে।

১/৪ চা চামচ বেকিং সোডা এক গ্লাস পানিতে ভালো করে মিশিয়ে নিন। পরে মিশ্রণটি পেটে সমস্যা অনুভূত হওয়ার সময়ে পান করবেন। এতে দ্রুত সমস্যার সমাধান পাবেন।

আদার ব্যবহার: আদা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা দূর করতে বিশেষভাবে উপকারী। আদার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান প্রদাহ ও গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা নিরাময় তাৎক্ষণিকভাবে কাজ করে থাকে।

২ কাপ পানিতে ১ টেবিল চামচ আদা কুচি একটু ছেঁচে দিয়ে ফুটাতে হবে। পানি শুকিয়ে ১ কাপ হয়ে গেলে, এতে ১-২ চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করে নিন, দ্রুত উপকার পাবেন। চাইলে শুধু আদা লবণ দিয়ে চিবিয়ে খেলেও সমস্যার কিছুটা সমাধান পাবেন।

খাবারের সঙ্গে সরষে মিশ্রন: সরষে গ্যাস উপসমে সাহায্য করে থাকে। বিভিন্ন খাবারের সাথে সরষে যোগ করা হয় যাতে সেইসব খাবার পেটে গ্যাস সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকে। নজর রাখতে হবে নিজের খাওয়া-দাওয়ার দিকে। জানতে হবে কোনটি খেলে গ্যাস হবে আর কোনটি খেলে হবে না।
তেলে ভাজা খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে। অপরিষ্কার এবং নষ্ট খাবার কোনভাবেই গ্রহণ করা ঠিক হবে না।